P.D.F. তৈরী করুন যে কোন ফাইল থেকে যে কোনভাবে

এডৌবির পিডিএফ এর জনপ্রিয়তা সম্পর্কে নতুন করে কিছুই বলার নেই। ই-বুকের জন্য পৃথবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ডকুমেন্ট হল পিডিএফ। ই-বুক বানানোর জন্য পিডিএফ ফাইল তৈরীর প্রয়োজন হয়। কিন্তু বিনামূল্যে যে সব সফ্টওয়্যার পাএয়া যায়, তাতে অনেক সীমাবদ্ধতা ও সমস্যা থাকে। যেমন:

১.বেশিরভাগ সফ্টএয়্যার ইউনিকোড সাপোর্ট করে না , ফলে বাঙলা লেখা যায় না।

২.এদের ভেতর কোম্পানী নিজেদের বিজ্ঞাপণ দিয়ে দেয় যা অত্যন্ত বিরক্তিকর।

২.সাধারণত ফ্রী সফ্টওয়্যার গুলো একটা নির্দিষ্ট সময় পর সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়।

৩.একেক ধরনের ফাইল থেকে পিডিএফ তৈরী করার জন্য আলাদা আলাদা সফ্টওয়্যার লাগে।যেমন: HTML ডকুমেন্ট থেকে পিডিএফ এ রূপান্তর করার জন্য এক সফ্টওয়্যার আবার ওয়ার্ড থেকে পিডিএফ এ রূপান্তর করার জন্য আরেক সফ্টওয়্যার র প্রয়োজন হয়। ইত্যাদি ইত্যাদি……..

কিন্তু আপনি যদি নিচের নিয়ম মানেন তাহলে বিনামূল্যে বিশেষ কোন সফ্টওয়্যার  উপরের যে কোন সমস্যা ছাড়াই পিডিএফ বানাতে পারবেন। এজন্য কেবল একটা ছোট্ট সফ্টওয়্যার লাগবে। তবে মজার ব্যপার হল, এর জন্য আলাদাকরে কোন কাজ শিখার প্রয়োজন নেই। যে কোন ফাইল থেকেই (ওয়ার্ড,HTML,নোপ্যাড ইত্যাদী) পিডিএফ বানাতে পারবেন।প্রথমেই http://www.dopdf.com/download.php থেকে doPdf নামক সফ্টওয়্যারটি নামিয়ে ইনস্টল করে নিন। জাস্ট ইনস্টল করুন ,আপনার আর কিছই করার দরকার নেই।

এবার নিচের যে কোন একটি পথ আপন পছন্দমত বেছে নিন।

ওয়ার্ড ডকুমেন্ট থেকে পিডিএফ: এবার আসাযাক কভাবে ডকুমেন্ট থেকে পিডিএফ বানাবেন। মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড ওপেন করে আপনার পিডিএফ ফাইলে যা লিখবেন তা লিখুন অথবা আগের লেখা কোন ডকুমেন্ট ওপেন করুন। যা যা লিখবেন তা লিখে ফেলুন।

এবার File মেনু থেকে Print কমান্ড সিলেক্ট করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে তার Printer এর আওতাধীন Name নামক বক্স থেকে doPdf  v7 সিলেক্ট করুন এবং সবিশেষে OK চাপুন। এখন নতুন একটি উইন্ডো আসবে । এখানের File Name নামক বক্সের পাশে Browse বাটনে ক্লিক করে যে জায়গায় সেভ করবেন তা দেখিয়ে দিন। শেষমেশ OK চাপুন । ব্যাস pdf হয়ে গেল। এবার আপনা আপনিই ফাইলটি ওপেন হবে।

নোটপ্যাড থেকে পিডিএফ: নোটপ্যাড ওপেন করে যা লিখার লিখে ফেলুন। এবার File মেনু থেকে Print কমান্ড সিলেক্ট করুন। যে উইন্ডো আসবে তার Select Printer এর আওতাধীন Name নামক বক্স থেকে doPdf  v7 সিলেক্ট করুন এবং সবিশেষে Print চাপুন। এখন নতুন একটি উইন্ডো আসবে । এখানের File Name নামক বক্সের পাশে Browse বাটনে ক্লিক করে যে জায়গায় সেভ করবেন তা দেখিয়ে দিন। শেষমেশ OK চাপুন । ব্যাস pdf হয়ে গেল। এবার আপনা আপনিই ফাইলটি ওপেন হবে।

HTML থেকে পিডিএফ:যে HTML ফাইলকে পিডিএফ করতে হবে , তা নোটপ্যাড বা অন্য কোন এডিটর দিয়ে ওপেন করুন। এবার সবার নিচে </BODY> ট্যাগের আগে নিচে কোডটুকু যোগ করুন:

<P><input type=button onclick=”javascript:print()” value=”Make Pdf”/></P>

ডকুমেন্টটি সেভ করে ব্রাউজার(যেমন:Internet Explorer , Opera ইত্যাদি যে কোন একটি ) দিয়ে পেজটি ওপেন করুন। একেবারে নিচে দেখবেন Make Pdf নামের একটি বাটন এসেছে। Make Pdf এ ক্লিক করুন। এখন যে উইন্ডো আসবে তার Select Printer এর আওতাধীন Name নামক বক্স থেকে doPdf  v7 সিলেক্ট করুন এবং সবিশেষে Print চাপুন। এখন নতুন একটি উইন্ডো আসবে । এখানের File Name নামক বক্সের পাশে Browse বাটনে ক্লিক করে যে জায়গায় সেভ করবেন তা দেখিয়ে দিন। শেষমেশ OK চাপুন । ব্যাস pdf হয়ে গেল। এবার আপনা আপনিই ফাইলটি ওপেন হবে।

অন্য যে কোন ফাইল থেকে পিডিএফ: এই পদ্ধতি ব্যবহার করে অন্য যে কোন ফাইল (যেমন:এক্সেল, এক্সেস ইত্যাদি….)  থেকেও পিডিএফ বানাতে পারবেন। এজন্য কেবল File মেনু থেকে Print কমান্ড দিন। এবার উপরের মতন কাজ করুন।

কেমন লাগল জানাবেন।

কম্পিউটার কে গতিশিল করার উপায়(1)

কম্পিউটার ব্যবহার করেন। কিন্তু কম্পিউটার এর পরিচরযা জানেন না। আস্তে আস্তে কম্পিউটার হয়ে উঠে ধীর গতির। ভাল ভাবে কাজ করতে পারেন না।আমাদের একটু অলসতার কারণেই কম্পিউটার ধীর হয়। আমরা অল্প কিছু সময় কম্পিউটারকে দিয়ে কম্পিউটার গতিশীল করতে পারি।

ভাইরাস মুক্ত রাখুনঃ কম্পিউটার ধীর হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে ভাইরাস।ভাইরাস শুধু আপনার কম্পিউটারকে ধীর করে না আপনার ড্রাইভগুলিকে কেটে দিতে পারে। ভাইরাসের প্রধানত ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রসার লাভ করে থাকে। তাই আজেবাজে সাইট থেকে বা অপ্রয়োজনীয় কোন ফাইল ডাউনলোড করবেন না। কোন সিডি ডিস্ক খোলার আগে এন্টি ভাইরাস দিয়ে পরিক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন। কম্পিউটারে ভাল মানসম্মত এন্টি ভাইরাস রাখুন।ইন্টারনেটে খোজলেই হাজার হাজার ফ্রী এন্টি ভাইরাস দেখা যায় তবে সাবধান এসব আজেবাজে এন্টি ভাইরাস কম্পিউটার কে আরও ধীর করে দেয়। আপনি মেকাফী অথবা AVG ব্যবহার করতে পারেন। সাপ্তাহে কমপক্ষে একবার আপনার কম্পিউটার ভাইরাস স্কেন করুন। Automatic update অন করে দিন এতে নতুন সংস্কার আপনা আপনি ডাউনলোড হবে। ভাইরাস গার্ড অন করুন এতে কোন ভাইরাস কম্পিউটার এ ঢোকার সাথে সাথে এন্টি ভাইরাস তা ডিলিট করে দিবে। এক সাথে দুটি এন্টি ব্যবহার করবেন না।

স্ক্যান ডিস্ক করুনঃ কম্পিউটারকে নিয়মিত স্কেন ডিস্ক করুন এতে কম্পিউটার এর বেড সেক্টর কেটে যাবে ফলে কম্পিউটার দ্রুত গতিতে কাজ করবে। এজন্য My Computer এ চলে যান। আপনার ড্রাইভ এর উপর ডান ক্লিক করুন। এখানে আসা মেনু থেকে Properties সিলেক্ট করুন। নতুন একটি উইন্ডো আসবে। এথেকে Tools টব সিলেক্ট করুন। Error-Checking এর আওতাদিন Check Now … বাটনে ক্লিক করুন। Check Disk নামে একটি উইন্ডো আসবে। []Automatically file System errors ও []Scan for and attempt Recovery of Bed sector. চেক দিন সব শেষে Start বাটনে ক্লিক করুন।এভাবে প্রতিটি ড্রাইভে স্ক্যান ডিস্ক করুন।
System Restore বন্ধঃ System Restore চালু থাকলে যখনি আপনি কোন ফাইল কেটে দিন তখন তা ডিলিট হয়ে System Volume Information নামক ফোল্ডারে জমা হয়। তাই এটি কম্পিউটারের জায়গা দখল করে এবং ভার্চুয়াল মেমোরি লো করে দেয়। যার ফলে কম্পিউটার ধীর হয়ে যায়। এটি বন্ধ করার জন্য My Computer এ ডান ক্লিক করে Properties সিলেক্ট করুন। এখান থেকে System Restore টব সিলেক্ট করুন। [] Turn off System Restore on all drive এ চেক দিয়ে ওকে করুন।
গ্রাফিক্স বন্ধ করুনঃ এক্সপি গ্রাফিক্স দ্বারা সম্মৃধ্য। কিন্তু এসব গ্রাফিক্স কম্পিউটার এর Ram এ অনেক জায়গা দখল করে।এসব গ্রাফিক্স দূর করার জন্য Control Panel থেকে System সিলেক্ট করুন। Advanced টব থেকে Performance এর আওতাধিন Setting ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো থেকে Adjust for best performance এ চেক দিয়ে OK দিয়ে বেরিয়ে আসুন। যদিও কম্পিউটার কিছুটা খারাপ দেখা যাবে তবুও কম্পিউটার স্পীড সম্পন্ন হবে।

সিস্টেম রিস্টোর বন্ধ করুন

সিস্টেম রিস্টোর সম্পর্কে আগে একটি পোস্ট লিখেছি। সেটা না পড়লে পরে নিন।
আপনি যদি সিস্টেম রিস্টোর বন্ধ না করেন তাহলে আপনার কম্পিউটার থেকে ভাইরাস ডিলিট করলেও তা থেকে জাওয়ার সম্ভবনা আছে। শুধূ শুধু মেমোরি নস্ট করবে। কাজেই সিস্টেম রিস্টোর বন্ধ করে ফেলুন। এজন্য নিচের নিয়ম অনুসরন করুনঃ
১. My computer এ ডান ক্লিক করে প্রোপার্টিজে জান।
২. সিস্টেম রিস্টোর টবে যান।
৩.টার্ন অফ সিস্টেম রিস্টোর এ টিক দিয়ে OK দিয়ে বেরিয়ে আসুন।
তবে এখন আপনি সিস্টেম রিস্টোর ব্যবহার করতে পারবেন না।

উইন্ডোজ এক্সপি কে গতিশীল করুন

উইন্ডোজ এক্সপি অনেক সময় ধীর হয়। এ নিয়ে অনেকে কাজ করতে পারেন না। অথচ আমরা একটু চেষ্টা করলেই গতিশীল করতে পারি। এ নিয়ে এই সাইট এ নিয়মিত লেখে প্রকাশ হচ্ছে।

My Computer এ ডান ক্লিক করে প্রোপারটিজ এ ক্লিক করুন। Advanced টবে ক্লিক করুন। এখান থেকে Performance এর আওতাধীন থাকা Setting বাটনে ক্লিক করুন।এখান থেকে Adjust for best perfomance এ ওকে করে Apply ও Ok ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন।

কিছুক্ষন সময় নেবে । তারপর দেখবেন আপনার কম্পিউটার আগের চেয়ে গিতিশীল হয়ে গেছে।রবে সমস্য হচ্ছে আপনার কম্পিউটার দেখতে একটু ৯৮ এর মত দেখাবে।

এর কারণ হচ্ছে বিভিন্ন গ্রাফিক্স ও ইফেক্ট Ram এ জায়গা দখল করে। RAM ফ্রী থাকলে আপনা কম্পিউটারও হবে গতিশীল।

উইন্ডোজ এক্সপি Update

আমরা বেশিরভাগ লোক এক্সপি ব্যবহার করি। আমরা যে উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটল করি তা সাধারণত ২০০২ ভার্সান হয়। আপনি যদি ইচ্ছা করেন তাহলে Update করতে পারেন। অনেকেই তা পারি না।  My Computer এ ডান বাটন ক্লিক করে প্রপারটিজ এ জান। Automatic Upldate Tab এজান। এখান থেকে Automaic update এ চেক দিন । Apply এবং OK চাপুন। এখন আপনি যখন অনলাইনে থাকেন তখন উইন্ডোজ সয়ংক্রিয় ভাবে Update করবে এবং নিজে নিজেই সেই আপডেট ইন্সটল করবে।

আপনার কম্পিউটার কে গতিশীল করুন

আপনার কম্পিউটার কে নিরাপদ ও ভাল রাখার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।
১. নিয়মিত Disk Cleanup,Disk Defragmenter ও Scandisk করতে হবে।
২. Antivirus রাখতে হবে। এবং কোন CD Disk ধোকানোর পর তা দেখার পুর্বে অবশ্যই তা Virus Scan করে নিতে হবে।
৩. অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার Unistall করে দিবেন।
৪. Start>Run এগিয়ে %temp% লিখে OK করতে হবে। এখানে যা ফাইল দেখাবে তা অস্থায়ী ফাইল তাই এগুলো কেটে দিতে হবে।
৫. যে কোন ওয়েব সাইট এ ঢুকার আগে তা সম্পর্কে জেনে নিন এ তে কোন ক্ষতি কর কিছু আছে কি না। এ জন্য আপনি Internet এক্সপ্লোরার ব্যবহার করতে পারেন। এতে Information Bar দেখালে সেই সাইট এ ঢুকা ভাল নয়।


তবে ভাইরাসের কারনেই কম্পিউটার ধীর হয়ে যায়। এজন্য আপনাকে অবশ্যই একটি Anti Virus PCতে রাখতে হবে এবং  নিয়মত Update করতে হবে।

কম্পিউটার কে দ্রুত করার জন্য নতুন খবর জানার জন্যে চোখ রাখুন htpp://muktadir.wordpress.com এ।

উইন্ডোজ এক্সপির রঙ পরিবর্তন করুন

আমরা বেশির ভাগ লোক উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করি। আমরা সাধারনত এক্সপির রঙ নীল বলে জানি। তবে এক্সপি তে এছাড়াও দু ধরনের রঙ রয়েছে। আপনি ইচ্ছা মত তা পরিবর্তন করতে পারবেন। এজন্য

ডেক্সটপ এর খালি জায়গায় ডান বাটন ক্লিক করুন। এখানে থেকে  Propertise এ ক্লিক করুন। এখন একটি উইন্ডো আসবে। সেখানে কয়েকটি Tab থাক বে। এখান থেকে Appearance টেব সিলেক্ট করুন। তারপর Color scheme থেকে আপনার পছন্দের রঙ সিলেক্ট করে Apply তারপর OK ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন। কিছুক্ষনের মধ্যে রঙ পরিবর্তন হয়ে যাবে।

Live OneCare দিয়ে কম্পিউটার নিরাপদে রাখুন

মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এর নিরাপত্তার জন্যে Windows Live OneCare নামে একটি সফটওয়্যার তৈরি করেছে । Windows Live OneCare একাধারে Antivirus,Spyware এবং কম্পিউটার এর অন্যন্ন সমস্যার সমাধান করে দিবে।এখানে ডাউনলোড করতে পারবেন

ইন্সটল করান । তবে এটি ইন্সটল হতে ১থেকে১.৩০ ঘন্টা সময় নিবে।

উইন্ডোজ এক্সপি তে Scandisk

আমাদের কম্পিউটার এ মাঝে মাঝে Scandisk করতে হয়। তবে আমরা জানি Scandisk করতে উইন্ডোজ ৯৮ দরকার। এধারনা ভুল। আমরা ইচ্ছে করলেই এক্সপি তে Scandisk করতে পারি। Scandisk করার জন্যে My computer এ প্রবেশ করুন যে ড্রাইভ Scandisk করবেন তা সিলেক্ট করে Properties এ জান।দ
তারপর Tools Tab এ ক্লিক করুন।
ম
Check Now… ক্লিক করুন।
ম্ন
এখান থেকে Automatically fix file system errors ও Search for and attempt recovery of bad sectors এছেক দিন। Start ক্লিক করুন। এখন Scandisk হবে। শেষ হলে mmদেখাবে।

আপনার কম্পিউটার এর স্পীড বাড়ান

আপনার কম্পিউটার এর স্পীড অনেক কম? চিন্তা করবেন না Boost Speed এর মাধ্যমে আপনার কম্পিউটার এর স্পীড বাড়াতে পারবেন। এতে  Disk Cleaner,Disk Defragmenter সহ কম্পিউটার এর স্পীড বাড়ানোর জন্য Tools রয়েছে। নিয়মিত Run করলে আপনার কম্পিউটার ৭৫ ভাগ গতি সম্পন্ন হতে পারে। এটি ডাউনলোড করুন

http://www.auslogics.com/en/software/boost-speed/download

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.